যখন দেশে থাকতাম বই পড়ার খুব একটা ধারাবাহিকতা ছিল। কখন কোন লেখকের বই বের হলো সব খোঁজ থাকতো, খুব পড়তাম। অনেক কাজের ভিড়ে ও সময় মিলে যেত।
পড়ার একটা ধারাবাহিকতা ছিল। এই বিদেশ যাপন কত কিছু ই না বদলে দিলো জীবন থেকে !তার মাঝে সাহিত্য চর্চার পিপাশা….। বই পড়ার আর বইয়ের জন্য সাহিত্য জগৎ টা জানার অধ্যায় টা সম্পূর্ণ বন্ধ না হলে ও হাতের নাগালের বাইরে ই থাকলো। মিডিয়ার কল্যাণে হাতের নাগালে সব কিছু আসতে আসতে সেই যে বই ভালোবাসার অভ্যাস ততক্ষনে তার চারদিকে ও বেশ খানিকটা মরিচা ধরে গেছে।
এর পেছনের কারণ খানিকটা জীবনের ব্যাস্ততার যান্ত্রিকতা, কিছুটা কাছে না পাওয়ার অজুহাত ও দেয়া যায়।
যদিও আমি পড়ি যখন ই সময় পাই যা কিছু হাতের নাগালে পাই পড়ি। কিছুটা সাহিত্য চর্চা ও হয় আমার। অনেক ব্যাস্ততায় ও নিজের অনুভূতির প্রকাশ করে যাই কলমে…
যদিও সে প্রকাশ কেউ না দেখে।
আমার খুব ডিফারেন্টলি বাঁচতে ইচ্ছে হয় … এই যেমন বাঁচে কবি সাহিত্যিকরা…!
হাসার কি আছে বলেন , আমি সুদু ইচ্ছার কথা ই বলছি !
আসলে ই বাঁচা যায়? এমন জীবন হয় মানুষের? নিজেই প্রশ্ন করি… উত্তর জানা খুব কঠিন না। এই সম্প্রতি একজন লোকের হাস্যজ্জল চেহারা দেখছি…সবাই তাকে নিয়ে লিখেছেন… তিনি একজন কথা সাহিত্যিক একজন শিক্ষক ! ইফতেখার মাহমুদ। চলে গেলেন !
জীবনের বাস্তবিকতায় জীবন গ্রন্থ কোথায় কখন শেষ হবে আমরা কেউ জানি না ! আমরা জানি ভালো থাকা আর বেঁচে থাকা! এই যে উনি চলে গেলেন তবু ও বেঁচে থাকবেন, তার সৃষ্টি র মাঝে তার দেয়া ভালো শিক্ষার মাঝে, ভালো কথার মাঝে, তাকে নিয়ে অনুভূত সব ভালো অনুভূতিতে।
হ্যা এই বেঁচে থাকার কথা ই বলছিলাম। কতটুকু বাঁচি আমরা? জীবন গ্রন্থে অনেক বাঁচার কাহিনী লেখা যায় … আর তার মাঝে বেঁচে থাকা ও যায় !
Dr.N Naher







